শাকিব আল হাসান শুধু বাংলাদেশের একজন সফল ক্রিকেটার নন। প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, IPL, BPL, বিভিন্ন T20 লিগ, ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট এবং ব্যবসা থেকে আয় করেছেন। তাই Shakib al Hasan net worth নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ স্বাভাবিক। ২০২৬ সালে তাঁর সঠিক ব্যক্তিগত সম্পদের কোনো প্রকাশ্য অডিট করা হিসাব নেই। তবে তাঁর দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ার, ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি, স্পনসরশিপ, ব্যবসা এবং অন্যান্য আয়ের উৎস বিবেচনা করলে তাঁর আর্থিক অবস্থার একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।
| বৈশিষ্ট্য | তথ্য |
| পূর্ণ নাম | Shakib Al Hasan |
| জন্ম | ২৪ মার্চ, ১৯৮৭ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | ক্রিকেটার |
| ভূমিকা | অলরাউন্ডার |
| ব্যাটিং স্টাইল | বাঁহাতি |
| বোলিং স্টাইল | বাঁহাতি অর্থোডক্স |
| আন্তর্জাতিক অভিষেক | ২০০৬ |
| আন্তর্জাতিক রান | ১৪,৭৩০ |
| আন্তর্জাতিক উইকেট | ৭১২ |
| স্ত্রী | Umme Ahmed Shishir |
| সন্তান | ৩ জন |
| আনুমানিক সম্পদ | Tk 245 crore |
Shakib al Hasan Net Worth in Taka
Shakib Al Hasan-এর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ US$20 million, যা প্রতি US$1-এর মূল্য Tk 122.5 ধরে প্রায় Tk 245 crore হয়। এই হিসাব অনুযায়ী, Shakib al Hasan net worth 2026 প্রায় Tk 245 crore।
তাঁর এই সম্পদ দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি, ম্যাচ ফি এবং পারফরম্যান্সভিত্তিক অর্থ তাঁর নিয়মিত ক্রিকেট আয়ের অংশ। এর পাশাপাশি Indian Premier League এবং Bangladesh Premier League-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি থেকেও তিনি উল্লেখযোগ্য অর্থ উপার্জন করেছেন।
বিদেশি T20 লিগে অংশগ্রহণও তাঁর আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট, বিজ্ঞাপন এবং বিভিন্ন স্পনসরশিপ চুক্তি।
ক্রিকেটের বাইরে Shakib Al Hasan business activities-এর সঙ্গেও যুক্ত। Monarch Holdings এবং Burak Commodities Exchange-এর মতো উদ্যোগে তাঁর সম্পৃক্ততা ক্রিকেটের বাইরে তাঁর আর্থিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করেছে।
সুতরাং, বর্তমানে ব্যবহৃত হিসাব অনুযায়ী Shakib Al Hasan net worth in taka প্রায় Tk 245 crore।

শাকিব আল হাসানের ক্যারিয়ার রেকর্ড
Shakib Al Hasan-এর career records তাঁর দীর্ঘ সাফল্যের অন্যতম বড় প্রমাণ। তিনি শুধু রান করেননি, একই সঙ্গে নিয়মিত উইকেটও নিয়েছেন। এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সই তাঁকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারে পরিণত করেছে।
| ফরম্যাট | ম্যাচ | রান | সর্বোচ্চ রান | ব্যাটিং গড় | উইকেট | সেরা বোলিং |
| টেস্ট | ৭১ | ৪,৬০৯ | ২১৭ | ৩৭.৭৮ | ২৪৬ | ৭/৩৬ |
| ODI | ২৪৭ | ৭,৫৭০ | ১৩৪ | ৩৭.১১ | ৩১৭ | ৫/২৯ |
| T20I | ১২৯ | ২,৫৫১ | ৮৪ | ২৩.১৯ | ১৪৯ | ৫/২০ |
| IPL | ৭১ | ৭৯৩ | ৬৬ | ১৯.৮৩ | ৬৩ | ৩/১৭ |
তিন আন্তর্জাতিক ফরম্যাট মিলিয়ে তাঁর মোট রান ১৪,৭৩০ এবং উইকেট ৭১২টি। টেস্টে তাঁর পাঁচটি সেঞ্চুরি ও একটি ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে। ODI-তে তিনি নয়টি সেঞ্চুরি করেছেন।
বোলিংয়েও তাঁর রেকর্ড উল্লেখযোগ্য। টেস্টে ২৪৬, ODI-তে ৩১৭ এবং T20I-তে ১৪৯টি উইকেট রয়েছে তাঁর। IPL career-এও তিনি ৭১টি ম্যাচ খেলেছেন। সেখানে তাঁর সংগ্রহ ৭৯৩ রান এবং ৬৩টি উইকেট।
শাকিব আল হাসানের প্রধান ক্যারিয়ার অর্জন
Shakib Al Hasan-এর career achievements-এর তালিকা বেশ দীর্ঘ। তিনি একই সময়ে তিনটি আন্তর্জাতিক ফরম্যাটেই ICC অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে থাকা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
২০১৯ সালের Cricket World Cup তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অধ্যায়। তিনি সেই বিশ্বকাপে ৬০৬ রান এবং ১১টি উইকেট নেন। একটি পুরুষদের বিশ্বকাপে ৬০০-এর বেশি রান ও ১০টির বেশি উইকেট নেওয়া প্রথম ক্রিকেটার হন তিনি।
টেস্ট ক্রিকেটে ৪,০০০-এর বেশি রান এবং ২০০-এর বেশি উইকেট নেওয়া ক্রিকেটারদের তালিকাতেও তাঁর নাম রয়েছে।
জাতীয় দলের হয়ে তিনি অধিনায়কত্ব করেছেন এবং দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও তাঁর সাফল্য রয়েছে। Kolkata Knight Riders-এর হয়ে তিনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালে IPL শিরোপা জিতেছেন।
শাকিব আল হাসান কীভাবে অর্থ উপার্জন করেন?
Shakib Al Hasan income-এর প্রধান উৎস কয়েকটি আলাদা ভাগে ভাগ করা যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তাঁর দীর্ঘমেয়াদি আয়ের ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি, ম্যাচ ফি এবং বিভিন্ন বোনাস থেকে তিনি অর্থ পেয়েছেন।
এরপর আসে franchise cricket। IPL, BPL এবং বিভিন্ন overseas T20 leagues থেকে তিনি আলাদা পারিশ্রমিক পেয়েছেন।
Brand endorsements এবং sponsorships তাঁর আয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত ক্রিকেটার হওয়ায় বিভিন্ন কোম্পানি তাঁকে বিজ্ঞাপন ও প্রচারণার জন্য ব্যবহার করেছে।
এর পাশাপাশি তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে Shakib Al Hasan salary বা ক্রিকেটের আয়ই তাঁর মোট সম্পদের একমাত্র উৎস নয়।
শাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আয়
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট Shakib Al Hasan-এর দীর্ঘমেয়াদি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। বাংলাদেশ দলের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় হিসেবে তিনি বার্ষিক পারিশ্রমিকের পাশাপাশি Test, ODI এবং T20I ম্যাচের জন্য match fees পেয়েছেন।
দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থাকার কারণে তাঁর ম্যাচের সংখ্যা এবং আয়ের সুযোগও উল্লেখযোগ্য ছিল।
তবে পুরো ক্যারিয়ারে তিনি ক্রিকেট থেকে ঠিক কত টাকা পেয়েছেন, তার নির্ভুল হিসাব প্রকাশ্যে নেই। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বেতন কাঠামো ও ম্যাচের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়েছে।
Celebrity Net Worth-এর একটি হিসাব অনুযায়ী, কর ও অন্যান্য খরচের আগে তাঁর career cricket earnings US$10 million-এর বেশি হতে পারে।

IPL থেকে শাকিব আল হাসানের আয়
Indian Premier League তাঁর franchise earnings-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। Kolkata Knight Riders ২০১১ সালে তাঁকে reportedly US$425,000-এ দলে নিয়েছিল।
তিনি KKR-এর হয়ে ২০১২ এবং ২০১৪ সালের IPL title-winning teams-এর সদস্য ছিলেন। ২০১৮ সালের IPL season-এ তিনি Sunrisers Hyderabad-এর হয়েও খেলেন।
তাঁর IPL career-এ ৭১টি ম্যাচ রয়েছে। এই ম্যাচগুলোতে তিনি ৭৯৩ রান এবং ৬৩টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন।
তাঁর IPL salary প্রতিটি মৌসুমে একই ছিল না। Auction এবং franchise contract অনুযায়ী পারিশ্রমিক পরিবর্তিত হয়েছে।
IPL তাঁকে ভারতের বিশাল ক্রিকেট বাজারে আরও পরিচিত করে তোলে। এর ফলে brand endorsements এবং sponsorship-এর সুযোগও তৈরি হয়েছে।
BPL এবং অন্যান্য T20 লিগ থেকে শাকিবের আয়
Bangladesh Premier League তাঁর ক্রিকেট আয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। BPL-এর প্রথম দিকের মৌসুমগুলোতে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন।
তিনি ২০১২ ও ২০১৩ সালে BPL Player of the Tournament পুরস্কার পান।
২০১৩ সালের BPL auction-এ Dhaka Gladiators reportedly তাঁকে US$365,000-এ দলে নিয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি Dhaka Dynamites-সহ বিভিন্ন BPL franchise-এর হয়ে খেলেছেন।
বাংলাদেশের বাইরে তিনি Caribbean Premier League এবং Pakistan Super League-সহ বিভিন্ন T20 competition-এ অংশ নিয়েছেন।
এসব franchise league তাঁর playing income বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক T20 cricket-এ তাঁর পরিচিতিও ধরে রেখেছে।
শাকিব আল হাসানের ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট
Brand endorsements Shakib Al Hasan-এর আয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বাংলাদেশের বিশাল fan base এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিতি তাঁকে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে জনপ্রিয় brand ambassador করেছে।
বিজ্ঞাপনের আয় ম্যাচ খেলার ওপর সরাসরি নির্ভর করে না। ফলে ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও একজন জনপ্রিয় ক্রিকেটার endorsement এবং promotional campaigns থেকে আয় করতে পারেন।
শাকিব বিভিন্ন সময়ে একাধিক brand campaign এবং sponsorship deal-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তবে individual endorsement contract-এর সঠিক অর্থ সাধারণত প্রকাশ্যে জানানো হয় না। তাই নির্দিষ্ট কোনো brand থেকে তাঁর বার্ষিক আয় নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
শাকিব আল হাসানের ব্যবসা ও বিনিয়োগ
ক্রিকেটের বাইরে Shakib Al Hasan-এর business interests-ও রয়েছে।
তিনি Monarch Holdings-এর সঙ্গে যুক্ত, যা financial এবং capital market sector-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি Burak Commodities Exchange-এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন, যা commodities এবং gold-related business-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই ব্যবসাগুলো তাঁর income sources-কে ক্রিকেটের বাইরে নিয়ে গেছে।
তবে কোনো কোম্পানির সম্পূর্ণ valuation-কে সরাসরি ব্যক্তিগত net worth হিসেবে ধরা যায় না। ব্যক্তিগত সম্পদ হিসাব করতে হলে মালিকানার অংশ, investment value এবং liabilities বিবেচনা করতে হয়।
শাকিব আল হাসানের ব্যক্তিগত জীবন
Shakib Al Hasan ১২ ডিসেম্বর ২০১২ সালে Umme Ahmed Shishir-কে বিয়ে করেন। জানা যায়, ২০১০ সালে ইংল্যান্ডে Worcestershire-এর হয়ে county cricket খেলার সময় তাঁদের পরিচয় হয়।
এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে। তাঁদের দুই মেয়ে Alayna Aubrey Hasan এবং Errum Hasan, এবং ছেলে Eyzah Al Hasan।
শাকিব Bangladesh Krira Shikkha Protishtan বা BKSP-তে পড়াশোনা করেন। পরে American International University-Bangladesh থেকে Bachelor of Business Administration degree অর্জন করেন।
তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশি-আমেরিকান। শাকিব ২০১৮ সালে US green card পান এবং দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রেও অবস্থান করেছেন।
বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত ক্রীড়াবিদ হওয়ায় তাঁর personal life নিয়েও মানুষের আগ্রহ রয়েছে। তবে তাঁর পারিবারিক জীবন এবং financial profile আলাদা বিষয়।
অন্যান্য ক্রিকেটারের তুলনায় শাকিব আল হাসানের সম্পদ
Bangladeshi cricketers-এর মধ্যে Shakib Al Hasan-এর financial profile আলাদা। তাঁর দীর্ঘ international career এবং বিশ্বের বিভিন্ন বড় franchise league-এ অংশগ্রহণ এর অন্যতম কারণ।
Virat Kohli এবং Rohit Sharma-এর মতো ভারতীয় ক্রিকেটাররা আরও বড় commercial market-এ খেলেন। IPL contracts এবং international brand endorsements থেকে তাঁদের আয়ের সুযোগও বেশি।
বাংলাদেশের বাজার তুলনামূলক ছোট হলেও শাকিবের জনপ্রিয়তা তাঁকে দেশের অন্যতম মূল্যবান sports personalities-এর মধ্যে রেখেছে।
তাঁর career earnings, franchise contracts, endorsements এবং business activities বিবেচনা করলে তাঁর আর্থিক অবস্থার একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQs)
১. Shakib al Hasan net worth ২০২৬ সালে কত?
২০২৬ সালে Shakib al Hasan net worth আনুমানিক US$20 million, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় Tk 245 crore।
২. বাংলাদেশি টাকায় শাকিব আল হাসানের সম্পদের পরিমাণ কত?
শাকিব আল হাসানের আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় Tk 245 crore, যা US$20 million-এর ভিত্তিতে হিসাব করা হয়েছে।
৩. শাকিব আল হাসান কীভাবে অর্থ উপার্জন করেন?
তাঁর প্রধান আয়ের উৎস হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, IPL চুক্তি, BPL, বিদেশি T20 লিগ, ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ।
৪. IPL থেকে শাকিব আল হাসান কত আয় করেছেন?
Kolkata Knight Riders ২০১১ সালে শাকিব আল হাসানকে reportedly US$425,000-এ দলে নিয়েছিল। পরে তিনি Sunrisers Hyderabad-এর হয়েও IPL খেলেছেন।
৫. শাকিব আল হাসানের কী কী ব্যবসা রয়েছে?
শাকিব আল হাসান Monarch Holdings এবং Burak Commodities Exchange-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উপসংহার
শাকিব আল হাসান দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ার, franchise leagues, brand endorsements এবং business investments-এর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সম্পদ তৈরি করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, IPL, BPL এবং বিভিন্ন commercial activities তাঁর আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ US$20 million, যা প্রায় Tk 245 crore। বর্তমানে Shakib al Hasan net worth আনুমানিক Tk 245 crore হিসেবে ধরা হয়।











